
অনিয়মে বাতিল হয়ে যাওয়া গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটাররা তাদের ভোটা প্রদান করছেন।
বুধবার (৪ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা জানান, ১২ অক্টোবরের মতো অনিয়ম পেলে ফের ভোটগ্রহণ বন্ধ করা হবে। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, ১৪৩ কেন্দ্রের প্রতিটিতে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও নির্বাচন কমিশন থেকে সিসি ক্যামেরার ভোট সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এদিকে নির্বাচন উপলক্ষে ইতোমধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছেন। সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৭ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে নিয়োজিত রয়েছে ১৭ থেকে ১৮ জনের ফোর্স। ভোটকেন্দ্র পাহারায় পুলিশ, অঙ্গীভূত আনসার ও গ্রাম পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এছাড়া পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটেলিয়ন আনসারের ছয়টি ভ্রাম্যমাণ ও চারটি স্ট্রাইকিং ফোর্স ভোটের মাঠে থাকবেন। অন্যদিকে চার প্লাটুন বিজিবি ও র্যাবের নয়টি টিম আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবে।
এ আসনে নারী ভোটার ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮৬২ জন ও পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৪২ জন। দুই উপজেলায় সমতলে ১১৩টি ও চরাঞ্চলে ৩২টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছে।
গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান রিপন নৌকা প্রতীক, জাতীয় পার্টির এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু লাঙল প্রতীক, বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম কুলা প্রতীক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মো. মাহবুবুর রহমান ট্রাক প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
গত ১২ অক্টোবর এ আসনের উপ-নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের কারণে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয় ইসি। পরবর্তীতে ৪ জানুয়ারি ভোটের নতুন তারিখ দেয় সংস্থাটি।
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৫ আসনটি শূন্য হয়।
আপনার মতামত লিখুন :