
মেসওয়াক করা সুন্নাত। শেষ নবি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক মেসওয়াক করতেন। কারণ তার ভাষায়, ‘মেসওয়াক মুখের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যম এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উপায়।
নিয়মিত মেসওয়াকে আছে অনেক ফজিলত ও উপকারিতা। কিন্তু মেসওয়াক কখন করতে হবে বা কখন মেসওয়াক করা উত্তম। আবার কীভাবে মেসওয়াক করতে হবে। তার কিছু সংক্ষিপ্ত বর্ণনা তুলে ধরা হলো-
মেসওয়াক যেভাবে করবেন
১. মুখের ডানদিক থেকে মেসওয়াক শুরু করা।
২. দাঁতের প্রস্থের দিক থেকে মেসওয়াক করা। অর্থাৎ দৈর্ঘের দিক থেকে (উপর-নিচে) নয়।
৩. ডানহাতের কনিষ্ঠ আঙুল মেসওয়াকের নিচে রেখে আর তর্জনী, মধ্যমা ও শাহাদাত আঙুল মেসওয়াকের ওপর রেখে বৃদ্ধ আঙুলের পেট দিয়ে ভালোভাবে ধরা।
মেসওয়াকের উত্তম সময়
১. ঘুম থেকে ওঠার পর মেসওয়াক করা।
২. অজুতে কুলি করার আগে মেসওয়াক করা। অনেকে ওজুর শুরু করার আগে মেসওয়াক করার কথা বলেছেন।
৩. নামাজ আদায়ের আগে মেসওয়াক করা।
৪. কুরআন-হাদিস পড়ার আগে মেসওয়াক করাকে অনেকে মুস্তাহাব বলেছেন।
৫. মানুষের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাতের আগে মেওয়াক করা।
৬. কোনো মজলিসে যাওয়ার আগে মেসওয়াক করা।
৭. ঘরে প্রবেশ করে মেসওয়াক করা।
৮. মুখে দুর্গন্ধ ছড়ালে মেসওয়াক করা।
৯. দাঁতে হলুদ আবরণ বা ময়লাযুক্ত হলে মেসওয়াক করা।
১০. ক্ষুধা লাগলে মেসওয়াক করা।
১১. জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে মেসওয়াক করা।
উপকারিতা
মেসওয়াক করলে দরিদ্র্যতা দূর হয়ে সচ্ছলতা আসে এবং উপার্জন বাড়ে। পাকস্থলী শক্তিশালী হয়। জ্ঞান ও স্মরণ শক্তি বাড়ে। কলুষমুক্ত অন্তর তৈরি হয়। ফেরেশতারা মেসওয়াককারীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। সর্বোপরি মেসওয়াকের ফলে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জিত হয়।
আপনার মতামত লিখুন :